বুধবার ১৯ জানুয়ারি, ২০২২ | ৫ মাঘ, ১৪২৮

ভারত ৬: বাংলাদেশ ০

স্পোর্টস রিপোর্টার, সংবাদমেইল২৪ডটকমঃ | মঙ্গলবার, ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ | প্রিন্ট  

ভারত ৬: বাংলাদেশ ০

ঢাকা: আর মাত্র একদিনের অপেক্ষা। আগামী বৃহস্পতিবার থেকে হায়দরাবাদের রাজীব গান্ধী স্টেডিয়ামে মাঠে গড়াবে ভারত-বাংলাদেশ এক ম্যাচের টেস্ট সিরিজ।

ভারতের মাটিতে এই প্রথম দীর্ঘ ফরম্যাটের ক্রিকেটে খেলার সুযোগ পাচ্ছে টাইগাররা। এখন পর্যন্ত প্রতিবেশী দুই দেশ সাদা পোশাকের ক্রিকেটে আটটি ম্যাচে পরস্পরে মোকাবেলা করেছে। এর মধ্যে ছয়টিতে জয় পায় ভারত, বাকি দুটি ম্যাচ নিস্ফলা থাকে। ২০০৭ ও ২০১৫ সালে ওই দুই ড্র ম্যাচে বড় ভূমিকা রেখেছিল খারাপ আবহাওয়া।


এক নজরে আগের আটটি টেস্ট:
প্রথম টেস্ট: ২০০০ সালের ১০ নভেম্বর নিজেদের প্রথম টেস্টে ভারতের মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ওই ম্যাচে প্রথম ইনিংসে আমিনুল ইসলাম বুলবুলের ১৪৫ রানের মহাকাব্যিক ইনিংস সত্ত্বেও দ্বিতীয় ইনিংসের ব্যাটিং বিপর্যয়ে ৯ উইকেটে হেরেছিল স্বাগতিকরা। চার দিনেই শেষ হয়েছিল টেস্ট। আটটি উইকেট ও ব্যাট হাতে ৯২ রান করে ম্যাচ সেরা হয়েছিলেন ভারতের সুনীল যোশি।

দ্বিতীয় টেস্ট: ২০০৪ সালে দ্বিতীয়বার বাংলাদেশ সফর করে ভারত। সেবার সিরিজের প্রথম টেস্টে ইরফান পাঠানের বোলিং তোপে ইনিংস ও ১৪০ রানে হারে স্বাগতিকরা। ওই ম্যাচে ক্যারিয়ার সেরা ২৪৮ রান করে অপরাজিত থাকেন শচীন টেন্ডুলকার।


তৃতীয় টেস্ট: বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার তৃতীয় টেস্ট স্মরণীয় মোহাম্মদ আশরাফুলের দুর্দান্ত ব্যাটিং প্রদর্শনীর জন্য। চট্টগ্রামের এমএ আজিজ স্টেডিয়ামে টেস্টের সর্বকনিষ্ঠ সেঞ্চুরিয়ান ১৫৮ রান করে অপরাজিত ছিলেন। এমনকি ইনিংস ও ৮৩ রানে হারার ম্যাচেও সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছিলেন টাইগারদের লিটল জিনিয়াস।

চতুর্থ টেস্ট: ২০০৭ সালে তৃতীয়বার বাংলাদেশের আতিথ্য নেয় ভারত। সেবার চট্টগ্রামে সিরিজের প্রথম ম্যাচ বৃষ্টির আর্শিবাদে ড্র হয়। অলরাউন্ড পারফরম্যান্স দেখিয়ে ওই ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছিলেন মাশরাফি বিন মর্তুজা। পাঁচটি উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি দলের প্রথম ইনিংসে সর্বোচ্চ ৭৯ রান করেছিলেন ‘নড়াইল এক্সপ্রেস’।


পঞ্চম টেস্ট: ২০০৭ সালের হোম সিরিজের প্রথম ম্যাচে ড্র করলেও দ্বিতীয় ম্যাচে বাস্তবতার চাবুক অনুভব করে টাইগাররা। ওই ম্যাচে ভারতের টপ অর্ডারের প্রথম চার ব্যাটসম্যান (দিনেশ কার্তিক, ওয়াসিম জাফর, রাহুল দ্রাবিড় ও শচীন টেন্ডুলকার) সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছিল। তাতে প্রথম ইনিংসে ৬১০ রান করে ইনিংস ঘোষণা করেছিল অতিথিরা। জবাবে জবাবে বাংলাদেশ ১১৮ ও ২৫৩ রান করে অলআউট হয়। ম্যাচ হারে ইনিংস ও ২৩৯ রানে।

ষষ্ঠ টেস্ট: ২০০৯ সালের সফরের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশকে ১১৩ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়েছিল ভারত। ওই ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংসে স্বাগতিক দলের হয়ে সেঞ্চুরি করেছিলেন মুশফিকুর রহিম।

সপ্তম টেস্ট: ২০০৯ সালের হোম সিরিজে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচেও ভাগ্য ফেরাতে পারেনি টাইগাররা। হোম অব ক্রিকেটে তামিম ইকবালের ১৫১ রানের মহাকাব্যিক ইনিংস সত্ত্বেও সাকিব আল হাসানের দল ওই টেস্টে ১০ উইকেটের ব্যবধানে হেরেছিল। ম্যাচ সেরা হয়েছিলেন জহির খান।

অষ্টম টেস্ট: ২০১৫ সালের বাংলাদেশ সফরে একটি টেস্ট খেলে ভারত। কিন্তু একমাত্র ওই ম্যাচটি কোনো ফল দেখতে পারেনি। বৃষ্টির হানায় ম্যাচ ড্র হয়। নিস্ফলা ম্যাচে ১৭৩ রানের ঝলমলে একটি ইনিংস খেলে সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছিলেন সফরকারী দলের ওপেনার শিখর ধাওয়ান।

সংবাদমেইল২৪.কম/এনএস/এনএস

Facebook Comments Box

Comments

comments

advertisement

Posted ৫:০৮ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭

সংবাদমেইল |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

এ বিভাগের আরও খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. মানজুরুল হক

নির্বাহী সম্পাদক: মো. নাজমুল ইসলাম

বার্তা সম্পাদক : শরিফ আহমেদ

কার্যালয়
উপজেলা রোড, কুলাউড়া, মেলভীবাজার।
মোবাইল: ০১৭১৩৮০৫৭১৯
ই-মেইল: sangbadmail2021@gmail.com

sangbadmail@2016 কপিরাইটের সকল স্বত্ব সংরক্ষিত