আগামী ৬ অক্টোবর ঢাকায় জাতীয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শ্রেষ্ঠ জেলা হিসেবে নাটোরের জেলা প্রশাসক এবং গুরুদাসপুরের দুটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে সম্মাননা সনদ ও ক্রেস্ট দেওয়া হবে।

গুরুদাসপুর উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের শুরুর দিকে বিশেষ মাত্রা যোগ করা হয় নিবন্ধন কার্যক্রমে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ইউনিয়ন চেয়ারম্যান, সদস্য, সচিব, গ্রাম পুলিশ ও উদ্যোক্তাদের নিয়ে অনুপ্রেরণামূলক সভা করা হয়। সভায় জন্ম-মৃত্যু সনদের গুরুত্ব সম্পর্কে সংশ্নিষ্টদের সচেতন করা হয়। এছাড়া তাদের এই কার্যক্রম সচল রাখতে প্রতি সপ্তাহে জুম মিটিং করতেন ইউএনও তমাল হোসেন।


একইসঙ্গে বাদ পড়াদের জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন নিশ্চিত করতে বিশেষ ক্যাম্পেইনও করা হয়। ফলে গত আগস্ট মাসে ০ থেকে ৪৫ দিন বয়সী মোট জন্মগ্রহণ করা শিশুদের ৬৮ শতাংশ এবং এক বছর বয়সী শিশুর ক্ষেত্রে ৪১ শতাংশ নিবন্ধন করানো সম্ভব হয়।

বিয়াঘাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রভাষক মোজাম্মেল হক এবং ধারাবারিষা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন জানান, সবার সহযোগিতায় এই প্রাপ্তি। আগামীতেও এ ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে।


গুরুদাসপুরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তমাল হোসেন জানান, উপজেলা প্রশাসনের সার্বিক মনিটরিং এবং উপজেলা ট্রাস্কফোর্স ও ইউনিয়ন ট্রাস্কফোর্স কমিটির ভূমিকাও অনেক সক্রিয় ছিল এ কাজে। ব্যাপক প্রচার-প্রচারণার মাধ্যমে সবাইকে উদ্বুদ্ধ করা হয়েছে।

নাটোরের জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদ বলেন, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ইউনিয়ন দুটি শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছে। আশা করি, ভবিষ্যতে অন্যান্য ইউনিয়নও দেশসেরা হবে।


দেশের চার হাজার ৫৭৩টি ইউনিয়ন পরিষদের মধ্যে গুরুদাসপুরের দুটি ইউনিয়ন সেরা নির্বাচিত হওয়ায় সংশ্নিষ্টদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য অধ্যাপক আব্দুল কুদ্দুস।