রবিবার ২৮ নভেম্বর, ২০২১ | ১৩ অগ্রহায়ণ, ১৪২৮

আজ বিজয়া দশমী

অনলাইন ডেস্ক : | শুক্রবার, ১৫ অক্টোবর ২০২১ | প্রিন্ট  

আজ বিজয়া দশমী

ফাইল ছবি

সব পূজামণ্ডপের বাতাসেই এখন বিষাদের ছায়া। হিন্দু ধর্মাবলম্বী মানুষের ঘরে ঘরে মন খারাপের দিন। ঢাক-কাঁসরের বাদ্যি-বাজনা আর পূজারি ও ভক্তদের পূজা-অর্চনায় কেবলই মা দুর্গার বিদায়ের আয়োজন।


শুক্রবার শুভ বিজয়া দশমী। হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় অনুষ্ঠান পাঁচ দিনের দুর্গাপূজা শেষ হবে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে। মর্ত্যলোক ছেড়ে বিদায় নেবেন মা। অশ্রুসজল চোখে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ বিসর্জন দেবেন প্রতিমা। পাঁচ দিনের সার্বজনীন মিলনমেলা ভাঙবে আজ।

শুক্রবার সকাল ৮টা ২৪ মিনিটের মধ্যে দশমীবিহিত পূজা শুরু ও পূজা শেষে দর্পণ বিসর্জন দেওয়া হবে। এরপর সারাদেশে স্থানীয় আয়োজন ও সুবিধামতো সময়ে প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হবে। তবে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে গত বছরের মতো এবারও বিজয়া শোভাযাত্রা হচ্ছে না। সব মণ্ডপ ও মন্দিরের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় প্রতিমা বিসর্জনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সর্বত্র বিসর্জন শেষে ভক্তরা শান্তিজল গ্রহণ করবেন।


বিজয়া দশমী উপলক্ষে আজ সরকারি ছুটি। বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারসহ স্যাটেলাইট টেলিভিশনগুলো বিশেষ অনুষ্ঠানমালা প্রচার করবে। সংবাদপত্রগুলো প্রকাশ করবে বিশেষ সংখ্যা ও নিবন্ধ। বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃৃতিক সংগঠনের নেতারা হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের প্রতি শুভ বিজয়ার শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে পৃথক বিবৃতি দিয়েছেন।

বিজয়া দশমীতে আজ দেশজুড়ে মন্দির-মণ্ডপে সীমিত পরিসরে ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে আরতি প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, কীর্তন, নাটক, কবিগান, স্বেচ্ছায় রক্তদান ও প্রসাদ বিতরণ করা হবে। মণ্ডপে মণ্ডপে রয়েছে পুষ্পাঞ্জলি, ভোগ-আরতিসহ অন্য ধর্মীয় অনুষ্ঠানমালাও।


বৃহস্পতিবার পাঁচ দিনের দুর্গোৎসবের চতুর্থ দিনে ছিল মহানবমী। সকাল ৯টা ৫৭ মিনিটের মধ্যে দেবীর মহানবমী কল্পারম্ভ ও মহানবমীবিহিত পূজা শুরু হয়। পূজা শেষে পুষ্পাঞ্জলি ও সন্ধ্যায় ভোগ-আরতি করা হয়।

মহানবমীর দিনটিতে মা দেবী দুর্গাকে বিদায়ের আয়োজনে বিষণ্ণ মন নিয়েই পূজার আনন্দে মেতেছিলেন হিন্দু ধর্মাবলম্বী মানুষ। ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির মেলাঙ্গনের কেন্দ্রীয় পূজামণ্ডপসহ মন্দির-মণ্ডপে দর্শনার্থীর ভিড় ছিল আগের তিন দিনের তুলনায় অনেকটাই বেশি। অনেক মণ্ডপে মানুষের ভিড় ছিল উপচে পড়া। হাজার হাজার ভক্ত, পূজারি ও দর্শনার্থী মণ্ডপগুলোতে ঘুরে ঘুরে প্রতিমা দর্শন করেছেন; স্বাস্থ্যবিধি মেনে পূজা উপভোগ করেছেন তারা। কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোথাও কোথাও মণ্ডপসংলগ্ন সড়কে যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয় বিকেল থেকেই। এ কারণে নগরীর বিভিন্ন স্থানে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়। রাতে যানজট অসহনীয় মাত্রায় পৌঁছে যাওয়ায় পূজারিদের পড়তে হয় ভোগান্তির মধ্যে। আবার করোনার কারণে দুর্গাপূজাকে ঘিরে আলোকসজ্জা পরিহার করার সিদ্ধান্ত থাকলেও সিংহভাগ মণ্ডপ-মন্দিরে আলোকসজ্জা ও বর্ণাঢ্য সাজসজ্জাও ছিল চোখে পড়ার মতো।

Facebook Comments Box

Comments

comments

advertisement

Posted ১:৩৮ পূর্বাহ্ণ | শুক্রবার, ১৫ অক্টোবর ২০২১

সংবাদমেইল |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. মানজুরুল হক

নির্বাহী সম্পাদক: মো. নাজমুল ইসলাম

বার্তা সম্পাদক : শরিফ আহমেদ

কার্যালয়
উপজেলা রোড, কুলাউড়া, মেলভীবাজার।
মোবাইল: ০১৭১৩৮০৫৭১৯
ই-মেইল: sangbadmail2021@gmail.com

sangbadmail@2016 কপিরাইটের সকল স্বত্ব সংরক্ষিত