সিটি নির্বাচনে জয়ী হওয়ার জন্যই অংশ নিয়েছি : ফখরুল

| ১৮ জানুয়ারি ২০২০ | ১২:৪৮ পূর্বাহ্ণ
অ+ অ-

ঢাকা : বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘আমি আগে থেকে কখনোই বলতে রাজি নই যে আমরা নির্বাচনে হেরে যাবো। আমরা যদি জনগণকে একত্র করতে করতে পারি তা হলে অবশ্যই নির্বাচনে জয়ী হতে পারবো।

সুতরাং আমরা হেরে যাবো, এ কথা বলতে রাজি নই। ঢাকা সিটি নির্বাচনে যে মিছিল হচ্ছে সেখানে অনেক বেশি মানুষ অংশ নিচ্ছে। তাদের যদি আমরা সংহত করতে পারি এবং আন্দোলনের দিকে নিয়ে যেতে পারি তা হলে নিশ্চয়ই আমরা সফল হবো। আর সেই কারণেই আমাদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা। আমরা বিশ্বাস করি, জয়ী হওয়ার জন্যই আমরা নির্বাচনে অংশ নিয়েছি।



১৭ জানুয়ারি, শুক্রবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের মিলনায়তনে বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদ আয়োজিত ‘নির্বাচনে আস্থাহীনতা, ইভিএম’র ব্যবহার : বর্তমান প্রেক্ষাপট’ শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।

গোলটেবিল বৈঠকে নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, আগামী ৩০ তারিখের ভোট কোনও ভোট নয়। ওই তারিখে ধানের শীষ জিততে পারবে না। ওরা জিততে দেবে না। যদি ভোট হতো তা হলে নৌকারই খবর থাকতো না। সেই জন্যই সমস্ত বুদ্ধি-শুদ্ধি করেছেন তারা।

তিনি আরও বলেন, ফখরুল ভাইয়ের সঙ্গে কর্মী হিসেবে কাজ করতে রাজি আছি। কিন্তু পুতুপুতু করে কোনও রাজনীতি হবে না। ২০১৮ সালের ভোট চুরি করেছে, ডাকাতি করেছে, ছেড়ে দিয়েছি। এবার কিন্তু ছাড়বো না।

ইভিএম প্রসঙ্গে মান্না বলেন, ইভিএম যে একটা গজব এটা আমরা সবাই বুঝি। মানুষ যা তৈরি করে তার নিজের জন্য তৈরি করে। নির্বাচন কমিশনকে পেছন থেকে কেউ ইভিএম আমদানি করিয়েছে। ওদের নিজেদের জন্য।

২০১৮ সালের ভোটের নামে যে ডাকাতি হয়েছে আর এখন যে ভোট হচ্ছে একই কায়দায় করার সুযোগ নাই। অতএব তারা ভিন্ন একটা পথ নিয়েছে। ওই ভাবে যদি তারা ভোট করতে যেত তা হলে পুলিশকে ম্যানেজ করতে হয়, বিজিবি-আর্মি যা যা আছে সবাইকে টাকা-পয়সা দিতে হয়, রাতের বেলা বিরিয়ানি খাওয়াতে হয়, পার্টি দিতে হয়, এটা লজ্জার ব্যাপার। তাই তারা একটি মেশিন বের করেছে। এইটা দিয়ে তারা সমস্ত দায় মেশিনের ওপরে দেবে। আপনি বলতে পারবেন না ওরা কেড়ে নিয়ে গেছে।

গোলটেবিল বৈঠকে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক ড. মো. আখতার হোসেন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক শওকত মাহমুদ প্রমুখ।

Comments

comments

পড়া হয়েছে 117 বার
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
x